চোখের সামরিক ছায়া উজ্জ্বলা ও তার প্রিয় ছেলের প্রেমের গল্প
একটি ছোট্ট গ্রামে একটি প্রিয় বাস্তবিক বড় বৌদি ছিল। একটি বিশেষ ছবি থাকতো তার চোখের সমন্বয়ে যা দেখলে কেউ অনুমান করতো না যে তার বয়স কত। অক্ষতা না বললেও তিনি খুব মেধাবী ছিলেন এবং গ্রামের সকল লোকজনের প্রিয় ছিলেন। একদিন একটি যুবক নামকরা আসলের বংশীধর নিজেকে গ্রামের লোকজনদের কাছে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তার প্রথম দৃষ্টিতেই একদল মেয়েদের মধ্যে একটি অতুলনীয় অভিশাপ পড়ে যায়। সেই মেয়েটি হল উজ্জ্বলা। উজ্জ্বলার চোখ অন্য কারো থেকে ভিন্ন ছিল। প্রতিদিন যুবকটি উজ্জ্বলার দেখাশোনা পেত। উজ্জ্বলার মধ্যে অনুভব করা গিয়েছিল যে, সেই যুবকটি কিছু বিশেষ ছিল। একটা দিন উজ্জ্বলার চিন্তায় অদ্ভুত একটি উদ্দীপনা জ্বলে ওঠে। তিনি নিজেকে উজ্জ্বলার চোখের সামরিক কাছে প্রদর্শন করার জন্য তার একটি কানেকশন স্থাপন করার প্রয়াস শুরু করেন। কিন্তু উজ্জ্বলা তার প্রতিষ্ঠান বহন করে না। তার পরপরই এমন কয়েকটি চেষ্টা হয় যা শেষে নিজেকে তার প্রিয় ছেলের দিকে তুলে ধরতে পারে না। শেষ পর্যন্ত প্রয়াস পূর্ণ হয়নি। পরে যুবকটি উজ্জ্বলার কাছে প্রস্তাব করে তাকে দ্বারা দ্বারা প্রতিষ্ঠা করার। প্রতিষ্ঠা না করেও তিনি এবং উজ্জ্বলা এক হয়ে উঠেন। তাদের মধ্যে প্রেমের কথা আরও বাড়ে। এরপর উজ্জ্বলা ও তার প্রিয় ছেলে সেই ছোট গ্রাম থেকে দূরে যায়। তাদের প্রেমের গল্প বাঁচে। কারো কারো গ্রামের লোকজনরা তাদের সাথে সেই গল্পটি সর্বাধিক ভালোবাসেন এবং সেই স্থানে তাদের ব্যাক আনার প্রত্যাশা করেন।